চিনি ও হাসি: সুস্থ দাঁতের জন্য স্মার্ট খাবার
শুধু কতটা চিনি নয় — কতবার খাচ্ছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। দাঁত-বান্ধব খাবারের ব্যবহারিক গাইড।
লিখেছেনDr. Muhiuddin Mahmud Galib
দাঁতের ক্ষয়ের ক্ষেত্রে পরিমাণের চেয়ে কতবার খাচ্ছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবার শিশু চিনি খেলে মুখ প্রায় ৩০ মিনিট অম্লীয় থাকে — আর এই অ্যাসিডই এনামেল ক্ষয় করে।
বারবার খাওয়ার সমস্যা
যে শিশু সারাদুপুর মিষ্টি পানীয়তে চুমুক দিতে থাকে, তার দাঁত প্রায় ক্রমাগত অ্যাসিড আক্রমণের মধ্যে থাকে। একবারে বসে সেই একই পরিমাণ চিনি খেলে এনামেলের উপর প্রভাব অনেক কম।
দাঁত-বান্ধব বিকল্প
- পনির, সাদা দই এবং দুধ — এগুলো অ্যাসিড নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে।
- আঠালো মিষ্টির বদলে তাজা ফল ও মুচমুচে সবজি।
- খাবারের মাঝে জুস বা কোমল পানীয়ের বদলে পানি।
- বড় শিশুদের জন্য বিস্কুটের চেয়ে বাদাম ও বীজ।
সময়ের পরামর্শ
- মিষ্টি জিনিস খাবারের সময় রাখুন — তখন লালার প্রবাহ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- মিষ্টি খাবার পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
- ঘুমানোর ঠিক আগে মিষ্টি বা দুধের পানীয় এড়িয়ে চলুন।
রাতের খাবারের সাথে একটি মিষ্টি সারাদিন ধরে একটু একটু খাওয়ার চেয়ে অনেক কম ক্ষতি করে।
শিশু কখন চিনি খাচ্ছে সেটায় ছোট পরিবর্তনই ক্ষয়ের ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে কমাতে পারে — প্রতিটি মিষ্টি বন্ধ না করেও।

লিখেছেন
Dr. Muhiuddin Mahmud Galib
BDS, MS (Pediatric Dentistry)
ডা. মুহিউদ্দিন মাহমুদ গালিব একজন শিশু দন্তচিকিৎসা বিশেষজ্ঞ (বিডিএস, এমএস ইন পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি) এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, যেখানে কনশাস সিডেশন, জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়ার অধীনে দন্তচিকিৎসা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের যত্নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।







